ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
মুক্ত মনমুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

রসালো ও মিষ্টি তরমুজ চেনার সহজ উপায়

প্রিয়ভূমি প্রতিবেদক
১৮ এপ্রিল ২০২৫, ১২:২১ পিএম
০১ মার্চ ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
রসালো ও মিষ্টি তরমুজ চেনার সহজ উপায়

গরমের দিনে ঠাণ্ডা, রসালো একটি মিষ্টি তরমুজের কদরই আলাদা। কিন্তু বাজারে তরমুজ কিনতে গিয়ে অনেক সময়ই মিষ্টি না হওয়ার হতাশা দেখা দেয়। তাই মিষ্টি ও রসালো তরমুজ চেনার কিছু সহজ কৌশল জানা থাকলে আপনি নিশ্চিন্তে পেতে পারেন গরমের দিনে এক গ্লাস প্রাকৃতিক ঠাণ্ডা পানীয়।

১. তরমুজের নিচের দাগ (Field Spot) দেখে বুঝুন তরমুজের নিচে থাকে একটি হলুদাভ বা হালকা ক্রিম রঙের দাগ, যাকে ফিল্ড স্পট বলা হয়। এটি সেই অংশ, যেটি তরমুজ গাছে থাকা অবস্থায় মাটির সাথে লেগে থাকে। গাঢ় হলুদ বা কমলা ফিল্ড স্পট মানেই তরমুজটা বেশি সময় গাছে পেকেছে — অর্থাৎ বেশি মিষ্টি।

২. খোসায় দাগ ও জালের মতো রেখা (Webbing) তরমুজে যদি মধুরঙা বা বাদামি জালের মতো রেখা থাকে, তবে সেটি ভালো। কারণ এই দাগ তরমুজে পোকামাকড় বসে মধুর রস টানার চেষ্টা করেছিল, যা প্রমাণ করে তরমুজটি মিষ্টি।

৩. হাত দিয়ে ঠোকাঠুকি করে শব্দ শোনা (Knocking Test) হালকা চাপ দিয়ে তরমুজে টোকা দিন। গম্ভীর, প্রতিধ্বনিমূলক আওয়াজ মানে তরমুজটি পরিপক্ব ও রসালো। ফাঁপা বা থেঁতো ধ্বনি হলে তরমুজটা হয়তো পানশূন্য বা বেশি পেকে গেছে।

৪. আকৃতি ও ওজন একই আকারের অন্যান্য তরমুজের তুলনায় যদি একটি তরমুজ ভারী মনে হয়, তবে সেটিতে পানির পরিমাণ বেশি — মানে রসালো। গোলাকার বা সামান্য ওভাল আকৃতির তরমুজ সাধারণত বেশি মিষ্টি হয়।

৫. খোসার রঙ ও টেক্সচার তরমুজের খোসা যদি ঘন সবুজ হয় এবং উপরে ময়লা বা মসৃণতার পরিবর্তে একটু খসখসে ভাব থাকে, তবে সেটি তুলনামূলকভাবে বেশি মিষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

টিপস বরফ ঠান্ডা তরমুজ খেতে চাইলে ফ্রিজে ১–২ ঘণ্টা রেখে খেতে পারেন, তবে বেশি সময় রাখলে স্বাদে হেরফের হতে পারে।

তরমুজ কাটার পরপরই খাওয়াই ভালো। দীর্ঘ সময় কেটে রাখলে পুষ্টিগুণ ও স্বাদ কমে যায়।

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১৬ এপ্রিল ১৯৭১: শপথের প্রতীক্ষা ও রণক্ষেত্রের আর্তনাদ

মুজিবনগর ও আমাদের প্রথম সাংবিধানিক পরিচয়

১২ এপ্রিল ১৯৭১: সরকারের পূর্ণাঙ্গ অবয়ব ও বালারখাইলের রক্তাক্ত ট্র্যাজেডি

রক্ষাকালী মন্দির গণহত্যা: পাবনার এক রক্তাক্ত অধ্যায়

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম ভাষণ

১১ এপ্রিল ১৯৭১: তাজউদ্দীন আহমদের ভাষণ ও সংগঠিত প্রতিরোধের সূচনা

১০ এপ্রিল ১৯৭১: বাংলাদেশের প্রথম সরকার ও স্বাধীনতার সনদ

১০ এপ্রিল ১৯৭১: যখন যুদ্ধের অন্ধকারে জন্ম নেয় একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের আইনি সূর্য

০৫ এপ্রিল ১৯৭১: বহুমুখী যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

৩১ মার্চ ১৯৭১: নাথপাড়ার রক্তগঙ্গা ও বিশ্ববিবেকের গর্জন

১০

৩০ মার্চ ১৯৭১: প্রতিরোধের আগুন ও বিশ্ববিবেকের জাগরণ

১১

ইতিহাসের অবিনশ্বর নক্ষত্র: শহীদ শাফী ইমাম রুমী

১২

২৯ মার্চ ১৯৭১: প্রতিরোধের আগুন ও আত্মাহুতির এক নৃশংস অধ্যায়

১৩

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা,আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশ

১৪

২৮ মার্চ ১৯৭১: ধ্বংসযজ্ঞের ছাপ আর বাঙালির সুসংগঠিত প্রতিরোধ

১৫

২৭ মার্চ ১৯৭১: বিশ্ব জানল, বাংলাদেশ স্বাধীন

১৬

২৬ মার্চ ১৯৭১: একটি জাতির রক্তক্ষয়ী সূর্যোদয় ও স্বাধীনতার ঘোষণা

১৭

গণহত্যার বিরুদ্ধে শৈল্পিক প্রতিবাদ / ২৫শে মার্চের কালরাত্রি স্মরণে প্রাচ্যনাটের ‘লালযাত্রা’

১৮

২৫ মার্চ, ১৯৭১: ইতিহাসের কলঙ্কিত কালরাত ও বিভীষিকাময় গণহত্যা

১৯

২৪ মার্চ ১৯৭১: প্রতিরোধের আগুন আর চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিন

২০